খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের অনশন চলছে
দিনাজপুর, মার্চ ১১ - দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া
কয়লাখনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জমি অধিগ্রহণ করে ক্ষতিপূরণ ও স্থায়ী
পুনর্বাসনের দাবিতে স্থানীয়দের অনশন বৃহস্পতিবারও চলছে।
'জীবন ও সম্পদ রক্ষা কমিটি'র ব্যানারে প্রায় এক হাজার মানুষ মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে খনির প্রধান ফটকে কর্মসূচি শুরু করে।
কমিটির আহ্বায়ক ইব্রাহীম খলিল বৃহস্পতিবার দুপুরে বলেন, "আমাদের শান্তিপূর্ণ অনশন কর্মসূচি চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।"
তারা বলেছে, খনি কর্তৃপক্ষ বার বার সময় দিয়েও ক্ষতিপূরণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করছে না।
অনশনস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
খনি এলাকার বাসিন্দা লায়েবউদ্দিন বলেন, খনিতে কয়লা উত্তোলনের কারণে এলাকার সব ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে পড়ছে, জমির মাটি ফেটে যাচ্ছে।
"আমরা এমনিতেই মরে আছি। অনশন করে মরলে যদি ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় তাহলে আমাদের পরিবার বেঁচে যাবে", কর্মসূচির যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে বলেন তিনি।
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (মাইনিং) মীর আবদুল মতিন বুধবার বলেন, "এলাকাবাসীর সমস্যা সমাধানের বিষয়টি এখন আমাদের হাতে আর নেই।
"ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, জমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন খাতের জন্য সাড়ে তিনশ' কোটি টাকার একটি প্রস্তাব সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে। এখন সরকারের সিদ্ধান্তের পালা।"
খনি এলাকায় কর্তব্যরত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট সঞ্জিত কুমার জানান, শান্তিপূর্ণ অনশন কর্মসূচি চললেও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দুই প্লাটুন রিজার্ভ পুলিশসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
(সূত্র:বিডিনিউজ)
'জীবন ও সম্পদ রক্ষা কমিটি'র ব্যানারে প্রায় এক হাজার মানুষ মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে খনির প্রধান ফটকে কর্মসূচি শুরু করে।
কমিটির আহ্বায়ক ইব্রাহীম খলিল বৃহস্পতিবার দুপুরে বলেন, "আমাদের শান্তিপূর্ণ অনশন কর্মসূচি চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।"
তারা বলেছে, খনি কর্তৃপক্ষ বার বার সময় দিয়েও ক্ষতিপূরণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করছে না।
অনশনস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
খনি এলাকার বাসিন্দা লায়েবউদ্দিন বলেন, খনিতে কয়লা উত্তোলনের কারণে এলাকার সব ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে পড়ছে, জমির মাটি ফেটে যাচ্ছে।
"আমরা এমনিতেই মরে আছি। অনশন করে মরলে যদি ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় তাহলে আমাদের পরিবার বেঁচে যাবে", কর্মসূচির যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে বলেন তিনি।
বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (মাইনিং) মীর আবদুল মতিন বুধবার বলেন, "এলাকাবাসীর সমস্যা সমাধানের বিষয়টি এখন আমাদের হাতে আর নেই।
"ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, জমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন খাতের জন্য সাড়ে তিনশ' কোটি টাকার একটি প্রস্তাব সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে। এখন সরকারের সিদ্ধান্তের পালা।"
খনি এলাকায় কর্তব্যরত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট সঞ্জিত কুমার জানান, শান্তিপূর্ণ অনশন কর্মসূচি চললেও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দুই প্লাটুন রিজার্ভ পুলিশসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
(সূত্র:বিডিনিউজ)
Hazrat Ali, 2010-03-11 11:55, Hit : 266


Select Menu






