লেখক-পাঠকের পদচারণে মুখর সিলেটে স্বাধীনতার বইমেলা
পুরো মাঠে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে শুকনো পাতা। এসব পাতার ওপর দিয়ে মচমচ শব্দ
তুলে হেঁটে যাচ্ছেন বইপ্রেমীরা। পছন্দের বইটি কিনে নিতে বইয়ের দোকানগুলোর
সামনে ভিড় জমাচ্ছেন তাঁরা। কেউ কিনছেন, কেউ ঘুরে দেখছেন। এ দৃশ্য সিলেট
নগরের কেওয়াপাড়া এলাকার শ্রীহট্ট সংস্কৃত কলেজ মাঠের। এখানে চলছে ১০
দিনব্যাপী স্বাধীনতার বইমেলা। আজ সোমবার শেষ হবে এ মেলা।
প্রতিদিনের মতো গতকাল রোববারও বেলা তিনটায় শুরু হয়ে রাত আটটা পর্যন্ত চলে এ মেলা। বিকেল থেকেই কবি, সাহিত্যিক, গল্পকার, লিটলম্যাগকর্মী ও বইপ্রেমীদের পদচারণে গতকাল মেলার মাঠ সরব হয়ে ওঠে।
বইমেলা উদ্যাপন পরিষদের সদস্য আল-আজাদ জানান, গতকাল সহস্রাধিক মানুষ আসে মেলায়। অনেক বই বিক্রি হয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বইমেলা চলে আসছে। এবারের মেলায় ২১টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে পরিসর বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। জসিম আহমদ নামের এক স্টল মালিক বলেন, শুরুর দিকে বেচাবিক্রি তেমন হয়নি। তবে গত কয়েক দিনে আশানুরূপ বিক্রি হয়েছে। গতকাল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য লেখকের পাশাপাশি তরুণ ও সিলেটের স্থানীয় লেখকদের বইয়ের দিকে ক্রেতাদের বিশেষ আগ্রহ ছিল। এটা অবশ্যই ইতিবাচক দিক।
সিলেট এমসি কলেজের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘মেলা চলাকালে প্রতিদিন এসেছি। মেলা শেষ হয়ে যাচ্ছে এটা ভেবে খারাপ লাগছে।’
কবি এন ডি মিথুন বলেন, ‘প্রতিবছর ওই একটি সময়ের জন্য বসে থাকি। ঢাকার একুশে বইমেলায় অনেক সময় নানা ব্যস্ততার কারণে যেতে পারি না। নিজের শহরের এই বইমেলায় প্রায় প্রতিদিনই আসার চেষ্টা করি।’
ছড়াকার বশির আহমদ জুয়েল বলেন, একটি বিভাগীয় শহরে এ ধরনের মেলার আয়োজন পাঠক সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।
এবারের এই মেলায় একাত্তরের চিঠি, সৈয়দ আবুল মকসুদের ঢাকার বুদ্ধদেব বসু, গোলাম মুরশিদের মুক্তিযুদ্ধ এবং তারপর, আল মাহমুদের তোমার রক্তে তোমার গন্ধে, সৈয়দ শামসুল হকের নিনাদ, আনিসুল হকের সুদূরতমা, মুহম্মদ হাবিবুর রহমানের রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ চিন্তা ও অনান্য প্রসঙ্গ, হুমায়ূন আহমেদের হিমুর নীল জোছনা ও রূপা, মুহম্মদ জাফর ইকবালের রাশা, ইমদাদুল হক মিলনের আয়না কাহিনীর বিক্রি ছিল উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: প্রথম আলো)
প্রতিদিনের মতো গতকাল রোববারও বেলা তিনটায় শুরু হয়ে রাত আটটা পর্যন্ত চলে এ মেলা। বিকেল থেকেই কবি, সাহিত্যিক, গল্পকার, লিটলম্যাগকর্মী ও বইপ্রেমীদের পদচারণে গতকাল মেলার মাঠ সরব হয়ে ওঠে।
বইমেলা উদ্যাপন পরিষদের সদস্য আল-আজাদ জানান, গতকাল সহস্রাধিক মানুষ আসে মেলায়। অনেক বই বিক্রি হয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বইমেলা চলে আসছে। এবারের মেলায় ২১টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে পরিসর বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। জসিম আহমদ নামের এক স্টল মালিক বলেন, শুরুর দিকে বেচাবিক্রি তেমন হয়নি। তবে গত কয়েক দিনে আশানুরূপ বিক্রি হয়েছে। গতকাল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য লেখকের পাশাপাশি তরুণ ও সিলেটের স্থানীয় লেখকদের বইয়ের দিকে ক্রেতাদের বিশেষ আগ্রহ ছিল। এটা অবশ্যই ইতিবাচক দিক।
সিলেট এমসি কলেজের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘মেলা চলাকালে প্রতিদিন এসেছি। মেলা শেষ হয়ে যাচ্ছে এটা ভেবে খারাপ লাগছে।’
কবি এন ডি মিথুন বলেন, ‘প্রতিবছর ওই একটি সময়ের জন্য বসে থাকি। ঢাকার একুশে বইমেলায় অনেক সময় নানা ব্যস্ততার কারণে যেতে পারি না। নিজের শহরের এই বইমেলায় প্রায় প্রতিদিনই আসার চেষ্টা করি।’
ছড়াকার বশির আহমদ জুয়েল বলেন, একটি বিভাগীয় শহরে এ ধরনের মেলার আয়োজন পাঠক সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।
এবারের এই মেলায় একাত্তরের চিঠি, সৈয়দ আবুল মকসুদের ঢাকার বুদ্ধদেব বসু, গোলাম মুরশিদের মুক্তিযুদ্ধ এবং তারপর, আল মাহমুদের তোমার রক্তে তোমার গন্ধে, সৈয়দ শামসুল হকের নিনাদ, আনিসুল হকের সুদূরতমা, মুহম্মদ হাবিবুর রহমানের রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ চিন্তা ও অনান্য প্রসঙ্গ, হুমায়ূন আহমেদের হিমুর নীল জোছনা ও রূপা, মুহম্মদ জাফর ইকবালের রাশা, ইমদাদুল হক মিলনের আয়না কাহিনীর বিক্রি ছিল উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: প্রথম আলো)
Hazrat Ali, 2010-03-15 11:06, Hit : 253


Select Menu






